যশোরে
করোনায় মৃত্যুর
মিছিল বড়
হচ্ছে। কঠোর
বিধিনিষেধের গেল ১২ দিনে করোনায় আক্রান্ত
ও উপসর্গ
নিয়ে মারা
গেছেন ১৪১
জন। এ
সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার
৩৯২ জন।সংশ্লিষ্ট
সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৬ জন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের সবাই নারী। বয়স ৪৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। মৃতদের মধ্যে একজন নড়াইলের লোহাগড়া, একজন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এবং অপর চারজন যশোরের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো দশজন। এর আগে রোববার মারা যান ১৭ জন।
এদিকে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তি থাকায় সেবা দিতে হিশশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। যশোর আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। ১১০টি বেডের বিপরীতে হাসপাতালটিতে রোগী থাকছেন ২৫০ জন। মাত্র একজন চিকিৎসক রোটেশন অনুযায়ী করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। আইসিইউ শয্যা রয়েছে মাত্র ১১টি।
যশোর আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আক্তারুজ্জামান জানান, হাসপাতালে মঞ্জুরিকৃত ৫৫ জন চিকিৎসকের মধ্যে কর্মরত আছেন ৪৩ জন। ১২টি পদ শূন্য রয়েছে। একজন চিকিৎসক ৮ ঘণ্টা পর পর করোনা রোগীদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। এতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের। ইতোমধ্যে ২০জন চিকিৎসক চেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলছে যশোর জেনারেল হাসপাতালেও। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরএমও ডা. আরিফ আহমেদ জানান, হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ওয়ার্ডে (রেড জোনে) মোট ভর্তি রয়েছেন ১২৬ জন। আর ইয়েলো জোনে আছেন ৮৬ জন।
এদিকে সোমবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারে করোনার পরীক্ষায় ১৮৬ জনের কভিড-১৯ পাওয়া গেছে। যশোরের ৪৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ফলাফল পাওয়া যায়। শনাক্তের হার ৪১ দশমিক ৭৯।










