উপসাগরীয় দেশ বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহরাইনে যেতে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপসাগরীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিল অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের মালিকদের পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মেডিকেল সেন্টারের মালিকদের সমন্বয়কারী মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, একটি চক্র উপসাগরীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিলের সফটওয়ার ম্যানিপুলেশন করে নিজের পছন্দের সেন্টারে স্লিপ তুলে অন্যদের বঞ্চিত করছে। উপসাগরীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত ওয়েববেসড সফটওয়্যারকে আইটি এক্সপার্ট দিয়ে ম্যানিপুলেশন করে নিজেদের পছন্দ মতো সেন্টারে মেডিকেল স্লিপ ইস্যু করে জিএইচসি-এর মূলনীতি অর্থাৎ ইকুয়াল ডিস্ট্রিবিউশান সম্পূর্ণরূপে ব্যাহত করা হচ্ছে। এছাড়া, ঢাকার ভেতরে অননুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে প্রতারণার মাধ্যমে নির্ধারিত ফির চেয়ে তিন থেকে চারগুণ অর্থ সংগ্রহ করছে। আর ঢাকার বাইরের অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে হেলথ সার্টিফিকেট ইস্যু করছে। যা উপসাগরীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিল নীতিমালা ও বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেরও পরিপন্থী।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এদের মধ্যে কেউ কেউ শুধুমাত্র অর্থের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করেও হেলথ সার্টিফিকেট দিচ্ছে বলে খবরে জানা যায়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া প্রবাসে গিয়ে যখন পুনরায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় তখন অনেকে আনফিট হয়ে সব হারিয়ে দেশে ফিরে আসছে। এই ধরনের অসৎ কাজের জন্য বিদেশে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন দেশ থেকে ভিসা প্রদান বন্ধের উপক্রম হয়েছে।

রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে অনুমোদিত মেডিকেল চেক-আপ সেন্টারের এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়ে এধরনের কাজের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে অবিলম্বে সমস্ত অনিয়ম বন্ধ করার আহ্বান জানান মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ। সেইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থার আহ্বানও জানান তিনি।