বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে আটজন আহত হয়েছেন। মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া নবাগত শিক্ষার্থীদের নিজ গ্রুপে যুক্ত করা নিয়ে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একে অন্যের ওপর দোষ চাপান।
সংঘর্ষে আহত ধ্রুব, অনিক, শুভ ও হৃদয় হলেন ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আসিফের অনুসারী এবং সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন রনির অনুসারী ইমতিয়াজ, রেজা, ফুয়াদ ও অমিয়। আহতরা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শজিমেক শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৩ সালে মেডিকেলে সুযোগ পাওয়া (৩২ ব্যাচের) শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে গত ২৮ মার্চ ভর্তি হতে আসেন। এ সময় মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ ও সাধারণ সম্পাদক রনির অনুসারীরা নবাগত ছাত্রদের নিজ নিজ গ্রুপে যুক্ত করতে তৎপরতা শুরু করেন। এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে গত বুধবার বিকাল থেকে উত্তেজনা দেখা দেয়। রাত ১০টার পর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার একপর্যায়ে মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসের নিচতলায় পাঁচটি কক্ষ ভাংচুর করা হয়। দেড় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
বগুড়ার ছিলিমপুর (শজিমেক হাসপাতাল) পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিছার রহমান জানান, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে গত বুধবার রাতে সংঘর্ষ হয়েছিল। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।









