দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে ডিজেলবাহী দুটি জাহাজ ভিড়েছে। বন্দরের ডলফিন জেটিতে দুই জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাস কার্যক্রম চলছে। এছাড়া ডিজেল নিয়ে আসা আরো দুইটি এবং অকটেন নিয়ে আসা একটি জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) ডলফিন জেটিতে প্রায় ৩৫ হাজার টন ডিজেলবাহী ‘এমটি ওকট্রি’ এবং প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেলবাহী ‘এমটি কেপ বনি’ থেকে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা এসব তথ্য জানান।

এছাড়া প্রায় ৪১ হাজার টন ডিজেলবাহী জাহাজ ‘এমটি লিয়ান সং হু’, প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক ডিজেলবাহী ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ এবং প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন অকটেনবাহী জাহাজ ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ বাংলাদেশের জলসীমায় (বহিঃনোঙরে) ঢুকেছে।

তিনি জানান, জ্বালানি সংকটের মধ্যে গত ১৯ দিনে দেশীয় তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত ১৫ হাজার ১৭০ টন অকটেন নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ হাজার ৬১৫ টন অকটেন সরবরাহ করেছে সুপার পেট্রো পিএলসি।

প্রতিষ্ঠানটি ৭ হাজার ১৭৭ টন পেট্রল ও ১২ হাজার ৮৮৪ টন ডিজেলও দিয়েছে বিপিসিকে। পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড অকটেন দিয়েছে ৩ হাজার ২৬৪ টন, পেট্রল ১ হাজার ২৫৪ টন এবং ডিজেল ১ হাজার ৮৯৬ টন। অ্যাকোয়া রিফাইনারি লিমিটেড ২৯১ টন অকটেন, ৪ হাজার ১৩ টন পেট্রল এবং ৫১৮ টন ডিজেল সরবরাহ করেছে বিপিসিকে।

বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, জলসীমায় থাকা তিনটি জাহাজ পর্যায়ক্রমে জেটিতে ভিড়বে এবং সেগুলো থেকেও জ্বালানি খালাস করা হবে।

এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করছে বিপিসি।