জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সম্পাদক ফয়জুল হাকিম এক বিবৃতিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে রাষ্ট্র কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়ে বলেছেন, ‘৫ আগস্ট ছাত্র শ্রমিক জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার উচ্ছেদের পরে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে।’
রোববার (৪ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘৫ মে গভীর রাতে শাপলা চত্বরে গণহত্যা ছিল পরিকল্পিত। সন্ধ্যা থেকেই সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে ভীতি উৎপাদন করে, গভীর রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে, মিডিয়ায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে স্তরে স্তরে পুলিশ, র্যাব, বিজিবিকে ব্যবহারের মাধ্যমে লক্ষাধিক গুলি বর্ষণ করে ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে এই গণহত্যা চালানো হয়। গণহত্যা শেষে যেভাবে মৃতদেহগুলো অপসারণ করে ও লুকিয়ে মাটিচাপা দেয়া হয়, যেভাবে ফায়ার ব্রিগেড দিয়ে পানি ঢেলে রাস্তার রক্ত ধুয়ে ফেলা হয় তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে না ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার ছিল ঠাণ্ডা মাথার খুনিদের সরকার। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ছিলেন নির্মম, বর্বর ও ঠাণ্ডা মাথার খুনি।’
ফয়জুল হাকিম বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সে সময়ই সমাবেশ করে বিচারের জোর দাবি জানিয়েছিল।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মানবাধিকার সংগঠন অধিকার সে সময় এই গণহত্যার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়। পরবর্তীতে খুনি হাসিনা সরকারের কাছ থেকে আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা গ্রহণের মধ্য দিয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের গণবিরোধী চরিত্রও উন্মোচিত হয়ে পড়ে।’









