সংস্থাটির উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপিসহ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসনাত স্বাক্ষরিত নোটিসে বলা হয়েছে, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।
নোটিসে আরো বলা হয়েছে, অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতকে দলনেতা এবং উপপরিচালক মোজাম্মেল হোসেনকে সদস্য করে দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের বক্তব্য দেয়ার জন্য সাবেক এ সেনাপ্রধানকে অনুরোধ করা হয়েছে নোটিসে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগের অনুসন্ধান প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর। অনুসন্ধান শেষে সংশ্লিষ্ট দল কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেবে। অভিযোগের পক্ষে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। তবে অভিযোগের সত্যতা না মিললে অনুসন্ধান নিষ্পত্তিও হতে পারে।
এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল আজিজ আহমেদের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিন বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান জেনারেল শফিউদ্দিন। সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অর্থ পাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দুদক একাধিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে।










