বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় হলে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দুর্বল হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহীতে নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকার নিস্বার্থভাবে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করেছেন। ভারত অনেক বড় দেশ, বিশেষত অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশ। কাজেই তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গভীর, আন্তরিকতা ও বিশ্বস্ততার হওয়া উচিত। কাজেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় হলে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে ভারতের মন্ত্রী, অভিনেতা, কবি, শিল্পী, সাংবাদিক সহ মোট ৩৬জন অতিথিকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। রাজশাহীতে শুরু হওয়া পঞ্চম বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় অংশ নিতে শুক্রবার রাজশাহীতে পৌঁছান তারা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক অবনতি ঘটাতে নানা সময় ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি। বাংলাদেশ-ভারত একে অপরের উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে কাজ করে চলেছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, এই সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন দুই দেশের সম্পর্কে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখতে সংস্কৃতির বিনিময় আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের (কো-অর্ডিনেটিং চ্যাপ্টার) প্রধান সমন্বয়ক এসএম সামছুল আরেফীন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে এই সাংস্কৃতিক মিলনমেলা উভয় দেশে আয়োজন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীতে ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই মেলার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরো সমন্নুত হবে।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এ বিভাগের ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিচারক, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও শিক্ষক, বিভাগের বিভিন্ন জেলা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।










