খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, দেশের সরকারি খাদ্য গুদামে বর্তমানে (১৩ এপ্রিল পর্যন্ত) ১৭ লাখ ৭১ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে চাল ১৪ লাখ ৬৪ হাজার টন ও গম ৩ লাখ ৭ হাজার টন।  

সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি খাদ্যগুদামে বর্তমান খাদ্যশস্যের মজুদ সন্তোষজনক রয়েছে। মজুদ আরো বাড়াতে সরকার জি-টু-জি ও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বিদেশ থেকে চাল-গম আমদানি করছে। পাশাপাশি দেশে বোরো ও আমন মৌসুমে খাদ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রাইস মিল থেকে চাল এবং কৃষি সহায়ক কার্ডধারী প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে ধান ও গম সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থ-বছরে আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৫ লাখ টন ও জি-টু-জি পদ্ধতিতে ১ লাখ টন মোট ৬ লাখ টন চুক্তির বিপরীতে ৩ লাখ ৫৭ হাজার টন চাল পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ২ লাখ ৪৩ হাজার টন চাল আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এছাড়া চলতি অর্থ-বছরে আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৫০ হাজার টন ও জি-টু-জি পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬ রাখ ৬০ হাজার টন মোট ৭ লাখ ১০ হাজার টন চুক্তির বিপরীতে ৭ লাখ ৩ হাজার টন গম পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট হিসেবে প্রায় ৬০ হাজার টন গমের একটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে চট্টগ্রামে আসার তারিখ নির্ধারিত রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আসন্ন বোরো সংগ্রহ মৌসুমের আওতায় ১২ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ টন আতপ চাল, ৫ লাখ টন ধান ক্রয়ের প্রস্তাব খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এফপিএমসির সভায় চূড়ান্ত করা হলে সে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সংগ্রহের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া আগামী অর্থ-বছরে প্রয়োজনের নিরিখে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ও অভ্যন্তরীণভাবে চাল-গম সংগ্রহ করা হবে বলেও তিনি জানান।