একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সিম নিবন্ধনের সংখ্যা কমিয়ে ৫টিতে নামিয়ে আনার তথ্যটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব)। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) অ্যামটবের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এমন নিয়ম কার্যকর হওয়ার যে খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসছে, তা বিভ্রান্তিকর। বিটিআরসির পক্ষ থেকে এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। এ ধরনের ভুল তথ্য সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অকারণে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইলের অপব্যবহার, জালিয়াতি বা অপরাধ রোধের জন্য শুধু সিম সংখ্যা সীমিত করাই কার্যকর উপায় নয়। বরং গ্রাহকের পরিচয় যাচাই, তাৎক্ষণিক নজরদারি, তথ্য বিশ্লেষণ ও উন্নত জালিয়াতি শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা বেশি কার্যকর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বৈধ ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানদের ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করলে তারা অনানুষ্ঠানিক বা নিয়ন্ত্রণহীন চ্যানেলের দিকে ঝুঁকতে পারেন। এতে নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য, টেলিযোগাযোগ খাত গ্রাহকের অধিকার ও পছন্দের স্বাধীনতা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে ব্যক্তি, উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার অগ্রগতিতেও খাতটি কাজ করছে।