এর আগে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পাওয়া সব ডিএজি ও এএজির নিয়োগ আদেশ বাতিল করা হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) গতকাল পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানায়।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে এটিই প্রথম নিয়োগ। সব মিলিয়ে মোট ২৬৫ আইনজীবী নিয়োগ পেলেন। নতুন এ আইন কর্মকর্তাদের কার্যকাল পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে ২৫ মার্চ অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর ডিএজি-এএজিদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষার (পারফরম্যান্স ইভল্যুশন টেস্ট) উদ্যোগ নেন তিনি। পরে মূল্যায়ন পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেশ কয়েকজন ডিএজি ও এএজি পদত্যাগ করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগের ধারাবাহিকতা শুরু হয়। এর মধ্যে ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সরকারের আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
একই বছরের ১৩ আগস্ট আইনজীবী মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও মোহাম্মদ অনীক রুশদ হককে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এরপর ২৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ৬৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৬১ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয়। পরে আরো অনেকেই নিয়োগ পান।
অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, নতুন নিয়োগের আগে মোট ৯৩ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ২১৩ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে তারা নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নতুন করে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।










