একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে রাজস্ব পরিশোধ করছে। এ অবদান আরো বাড়াতে ২০২৭ সালের মধ্যে বহরে ২১টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করা, আন্তর্জাতিক গন্তব্য দ্বিগুণের বেশি সম্প্রসারণ ও বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বেসরকারি এয়ারলাইনসটি।

গত ১৯ জুলাই কক্সবাজারে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১৩ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের ১৭ হাজার কোটি টাকার আন্তর্জাতিক এভিয়েশন বাজারে ইউএস-বাংলা একাই প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা দেশে ধরে রাখছে, যা অন্যথায় বিদেশী এয়ারলাইনসের মাধ্যমে দেশের বাইরে চলে যেত। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা সিভিল এভিয়েশনকে রাজস্ব দেয়। অথচ পোশাক বা অন্যান্য রফতানিমুখী শিল্পের মতো এভিয়েশন খাত এখনো কাঙ্ক্ষিত নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা পায়নি।’

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমানে ইউএস-বাংলা দেশের ছয়টি অভ্যন্তরীণ ও ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ সংখ্যা বাড়িয়ে ২০টি দেশের ৩০টি গন্তব্যে নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময়ে বহরে যুক্ত হবে ২১টি সম্পূর্ণ নতুন উড়োজাহাজ। পাশাপাশি ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট—দুই ধরনের যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে গ্রুপের অধীনে দ্বিতীয় একটি এয়ারলাইনস চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।’