এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সই করেন রাবিপ্রবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. মো. শফিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ জুনাইদ কবির এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মতিউর রহমান চৌধুরী। বিএফডিসির পক্ষে সই করেন বিএফডিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. মীর হোসাইন এবং কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম।

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে রাবিপ্রবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী বলেন, ‘সরকারের মিশন ও ভিশন বাস্তবায়নে বিএফডিসির সঙ্গে যৌথ গবেষণার মাধ্যমে কাপ্তাই লেকের পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা, জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্যসম্পদ আহরণে কাপ্তাই লেকের অবদান তুলে ধরা, প্রাকৃতিকভাবে কাপ্তাই লেককেন্দ্রিক ইকোসিস্টেম ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বিলুপ্তপ্রায় স্থানীয় মৎস্য প্রজাতির পুনরুৎপাদন, সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৎস্যসম্পদের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।’

বিএফডিসির চেয়ারম্যান মো. মীর হোসাইন বলেন, ‘দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে মৎস্যসম্পদের উন্নয়নে গবেষণার মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, মাছ চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করা যাবে। সেজন্য তিনি ‍ফিশারিজ ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে রাবিপ্রবিকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।’

রাবিপ্রবির জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারকের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মৎস্যসম্পদ নিয়ে গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। এর মধ্য দিয়ে মৎস্য ও জলজ সম্পদ চাষ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মজুদ মূল্যায়ন, বাস্তুতন্ত্র ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যৌথ গবেষণা কর্মসূচি গ্রহণ; জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজেট ও অনুদান প্রাপ্তির জন্য গবেষণা প্রস্তাবনা তৈরিতে সহযোগিতা প্রদান; যৌথ প্রকাশনা ও পলিসি নির্ধারণ এবং প্রতিবেদনের মাধ্যমে গবেষণার ফলাফল প্রচার; প্রায়োগিক ও ইন্টার ডিসিপ্লিনারি গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে উৎসাহ প্রদান; মৎস্য সম্পদবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মশালা, সেমিনার এবং স্বল্পমেয়াদি কোর্সের আয়োজনসহ নানামুখী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সইয়ের দিন থেকে আগামী পাঁচ বছর এটি কার্যকর থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিএফডিসির ব্যবস্থাপক (বাস্তবায়ন বিভাগ) রওশনুল হক, উপপরিচালক মো. বদরুদ্দোজা, ফিশ কালচারিস্ট মো. ইসমাইল হোসেন ও নিত্যানন্দ চন্দ্র দাসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।