হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি ছাড়াই সারাদেশের সঙ্গে বরিশালের সড়ক ও নৌপথের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একযোগে সকল পরিবহনের এই কর্মবিরতিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বরিশালসহ আশপাশের এলাকার মানুষ। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামীকালও বরিশাল থেকে ঢাকায় যাত্রীবাহী কোনো লঞ্চ ছাড়বে না।
এদিকে মহাসড়কে চাঁদাবাজিসহ অবৈধ নছিমন, করিমন, ভটভটি চলাচল বন্ধের দাবিতে নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ১৪টি অভ্যন্তরীণ রুটে এবং রুপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে ২১টি অভ্যন্তরীণ রুটে সকাল থেকেই যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এছাড়া বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন রুটে পারমিটবিহীন অবৈধ অটোরিকশার চলাচল বন্ধ, হয়রানি না করে দ্রুত ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া, চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৫ দফা দাবিতে আজ এবং আগামীকাল সকল রুটেই থ্রি হুইলার আলফা মাহেন্দ্রা বন্ধ রেখেছে সমিতির নেতৃবৃন্দ। এমনকি কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীর থেকে বরিশাল নগরে প্রবেশের সবগুলো খেয়াও বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বরিশালের মানুষ। এই প্রতিবেদকের কথা হয় রাস্তায় ভোগান্তিতে পড়া ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের সঙ্গে। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। তিনি ঢাকা থেকে জরুরি কাজে বরিশালে এসেছেন। বাসে করে মাদারীপুর পর্যন্ত আসলেও এরপর আর গাড়ি পাচ্ছিলেন না তিনি। বারবার গাড়ি বদলাতে গিয়ে পথে দুর্ঘটনারও শিকার হন তিনি।









