গ্রীষ্ম ও রমজানে ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো না গেলে আড়াই থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে মনে করছে বেসরকারি বিদ্যুৎ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ)। এ জন্য দ্রুত বিদ্যুতের বকেয়ার সমাধান হওয়া দরকার। যাতে তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জ্বালানি আমদানি করা যায়।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেন বিআইপিপিএ নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিল বকেয়া ১৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ফার্নেস তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বকেয়া ১০ হাজার কোটি টাকা। টাকার অভাবে অনেকে জ্বালানি তেল আমদানি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালাতে পারছে না। চুক্তি অনুসারে ৩০ দিনের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করার কথা বিপিডিবির। অথচ ১৮০ দিনের বেশি পার হয়ে গেলেও করতে পারছে না সংস্থাটি। বিল না পেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো কঠিন হবে বেসরকারি মালিকদের।

সংবাদ সম্মেলনে শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইপিপিএ সভাপতি ডেভিড হাসানাত। আর নিবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও কনফিডেন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান করিম। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এটি সরকার তদন্ত করে দেখতে পারে। যারা বাড়তি দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রয়োজনে দর কষাকষি করে চুক্তি সংশোধন করতে পারে, যা দুই পক্ষের সমঝোতার বিষয়। এতে সংগঠনের কোনো আপত্তি নেই।

বিআইপিপিএ নেতারা জানান, ডলারের বিপরীতে টাকার অবনমনের কারণে তাদের সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। তবে একই কারণে কেন্দ্র ভাড়া থেকে কত টাকা লাভ পেয়েছেন, তার কোনো হিসাব দিতে পারেননি তারা।