আগামীর পরিকল্পনায় সরকারের সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত পানি ব্যবস্থাপনায়। এটি কৃষি তথা সামগ্রিক উন্নয়নে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে পরিগণিত হবে। এজন্য অঞ্চল ভেদে পৃথক পরিকল্পনা প্রয়োজন। বরেন্দ্রর মতো খরাপ্রবণ এলাকার জন্য এক ধরনের আবার হাওরের ক্ষেত্রে আরেক ধরনের পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চাপমুক্ত রাখা গেলে যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় রোধ করা যেতে পারে। করোনাকালে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সুশাসন বিশেষ জরুরি। গতকাল রাজশাহীতে অংশগ্রহণমূলক বাজেটে জেলা পর্যায়ে জাতীয় এবং স্থানীয় চাহিদা নিরূপণে আয়োজিত প্রাকবাজেট সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন, সেফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি, দি এশিয়া ফাউন্ডেশন এবং পরিবর্তনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এনকে নোমান। বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান খান, মহিলা পরিষদ সভাপতি কল্পনা রায়, আদিবাসী নেতা এভারেস্ট হেমব্রম, নাগরিক নেতা আহাম্মেদ শফিউদ্দিন, পরিবর্তনের পরিচালক রাশেদ রিপন, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারপারসন মর্জিনা পারভীন, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির বিভাগীয় প্রধান দিল সেতারা চুনি, দিনের আলো হিজড়া উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মোহনা, বেলার বিভাগীয় সমন্বয়কারী তন্ময় স্যানাল ও টিআইবির সমন্বয়কারী মুনিরুজ্জামান। বক্তারা আরো বলেন, রাজশাহীর স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা এ এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশেষত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কৃষি ও মৎস্য চাষের বিষয়টি মাথায় রেখে পরিকল্পনা করতে হবে। তারা সরকারি ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমিয়ে জনগণের ওপর ভ্যাট ও ট্যাক্সের বোঝা কমানোর দিকে মনোনিবেশ করতে তাগিদ দেন।
রাজশাহীতে প্রাকবাজেট সংলাপে বক্তারা
পানি ব্যবস্থাপনায় অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান
আগামীর পরিকল্পনায় সরকারের সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত পানি ব্যবস্থাপনায়। এটি কৃষি তথা সামগ্রিক উন্নয়নে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে পরিগণিত হবে। এজন্য অঞ্চল ভেদে পৃথক পরিকল্পনা প্রয়োজন।










