চলমান কোটা
আন্দোলনকে ঘিরে রাজধানীর বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তিন নারী
শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৫ জনকে আটক করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক
কোনো বক্তব্য দেয়নি তারা।
সোমবার
সকাল থেকেই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশের সতর্ক অবস্থান ছিল। বেলা
বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের অবস্থান আরো কঠোর হয়েছে। এ সময় ছাত্র পরিচয়ে যাকে পেয়েছে
তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ, তল্লাশি ও মোবাইল চেক করে দেখেছে পুলিশ। এ সময় অন্তত ১৫ জনকে আটক
করেছে পুলিশ।
সোমবার
দুপুরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শর্মি হোসেন
বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। তখন তিনি শিক্ষার্থীদের আটক দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলার
চেষ্টা করলে দায়িত্বরত পুলিশ কথা বলতে দেয়নি। পরে শর্মি হোসেন গণমাধ্যমকে
বলেন, আমরা আটকের এই
ঘটনাকে ধিক্কার জানাই। শিক্ষার্থীদেরকে আমাদের কাছে ফেরত দিতে হবে। আমাদের
ছাত্রদের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব।
আটককৃতদের মধ্যে
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কয়জন তা জানেন না বলেও জানান তিনি।
আটকৃতদের একজন
মো. সাঈদ। পুলিশের প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকে চিৎকার করে তিনি বলেন, আমি বাজার করে
বাসায় যাচ্ছিলাম আমাকে রিকশা থেকে নামিয়ে নিয়ে আসল। আমি এখনো বুঝতেছি না কেন আমাকে
এখানে নিয়ে আসা হলো। আমার বাসা এখানেই।
আটককৃত
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমি পাশেই
থাকি। এখানে গাড়ি ঠিক করাতে এসেছিলাম। আমাকে জিজ্ঞেস করা হলো, তুমি কোন
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী? আমি বললাম ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির। তখনই
আমাকে আটক করে পুলিশ।
আটককৃত আরেকজন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী তাজদিদ রহমান খান। তিনি বলেন, আমি ক্যাম্পাসের সামনে এসে দেখি অনেক পুলিশ। আমি ভিডিও করছিলাম। আমাকে পুলিশ ডেকে মারধর করে। তারপর প্রিজন ভ্যানে তুলে নেয়।










