বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়ন সীমান্তে টহলকালে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে মিয়ানমারের মাদক চোরাকারবারিদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোরে ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইশফাঁড়ি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির ঘটনায় বিজিবির দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে বিজিবি ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, দেশীয় দুইনলা একটি বন্দুক ও চারটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। নিহত মো. আব্দুর রহিম (২৫) কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শরণার্থী মো. ওবায়দুল হকের ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান বাংলাদেশে আসছে, এমন খবরের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাইশফাঁড়ি বিওপির পৃথক দুটি টহল দল দক্ষিণ বাইশফাঁড়ি সীমান্তে (সীমান্ত পিলার-৩৬/২ এস-এর আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে) অবস্থান নেয়। এরপর ভোর ৪টার দিকে টহল দল দেখতে পায় মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ৮-১০ জনের মাদক চোরাকারবারির একটি দল হেঁটে বাংলাদেশের দিকে আসছে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করলে মিয়ানমারের ওই দলটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। এরপর বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থল তল্লাশিকালে গুলিবিদ্ধ আবদুর রহিমকে আটক করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় দুইনলা একটি বন্দুক, চারটি কার্তুজ ও ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গতকাল দুপুরে বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আহত আবদুর রহিমকে উদ্ধার করে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।









