কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে হওয়া হত্যাকাণ্ডের দায় সরকারকে নেয়া ও এর বিচার চেয়ে গতকাল সমাবেশ করে গণতন্ত্র মঞ্চ। সে সময় হামলায় আহত হন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

গণসংহতি আন্দোলনের গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আক্তার বণিক বার্তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘সমাবেশ শেষ করে পল্টন মোড় থেকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালায়। একই সঙ্গে লাঠিচার্জও চালায়। জোনায়েদ সাকি লাঠির আঘাতে আহত হন। এরপর কিছুক্ষণ তিনি পল্টনে অবস্থান করে মগবাজারে কমিউনিটি হাসপাতালে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। মোটরসাইকেল, লাঠিসোঁটা ও হেলমেট নিয়ে ছাত্রলীগের ২০-৪০ জন নেতাকর্মী অথবা সংখ্যায় এর অধিকও হতে পারে তারা কমিউনিটি হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান করছিলেন। এর পরই তারা হাসপাতালের দোতলা অফিসে ঢুকে উনাকে বেধড়ক মারধর করেন। উনার মাথায়ও আঘাত করা হয়। শুধু তা-ই নয়, এরপর হাসপাতালের বাইরে বের করে পুরো শরীরে উনাকে মারধর করে।’ 

এদিকে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থনৈতিক সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়া বণিক বার্তাকে বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে প্রায় তিনশ নেতাকর্মী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে। সে সময় পুলিশ আমাদের ওপর হামলা চালায়। যেখানে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুমের হাতের কনুইয়ে গুলি লাগে। এছাড়া আমাদের আরেক নেতার মাথায় গুলি লাগে। ওনারা গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আন্দোলনরত দলের অন্য নেতাকর্মীরাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’