চরপুখরিয়া, চরসরসপুর, তালা, ইছাখালী, কেকানিয়া, ঘোড়াদাইড়, নকড়ির চর, গোলাবাড়িয়া, কুশলী, পাটগাতিসহ বিভিন্ন স্থানে ইটভাটাগুলো নবোদ্যমে চলতি মৌসুমে ইট তৈরির কাজ শুরু করেছে। নিয়ম বা আইন কোনোটিই মানছে না ইটভাটার মালিকরা।

গত বছর অবৈধ ইটভাটাগুলো ব্যাপক হারে ভাংচুর করার কারণে প্রশাসন সর্বমহলে প্রশংসা কুড়ায়। কিন্তু এ বছর ইটভাটাগুলো আরো ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ইট তৈরির কাজ শুরু করেছে। দেদারসে পোড়াচ্ছে জ্বালানি কাঠ এবং বেশি করে গ্রাস করে নিচ্ছে কৃষিজমি। বিঘার পর বিঘা জমিতে ফসল না ফলিয়ে ভাড়া দেয়া হচ্ছে ইটভাটার মালিকের কাছে।

গতকাল চরপুখরিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, মো. মুজাহিদ শেখ নামে এক ব্যক্তি ব্যাপক পরিমাণে কৃষিজমি ভাড়া নিয়ে অবৈধ ইটভাটা গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠানের নাম স্টার ব্রিকস। ওই ইটভাটায় ছোট ড্রাম চিমনি ব্যবহার করে ইট তৈরি করা হচ্ছে। কাইয়ুম মোল্লা নামে আরেক ব্যক্তি মধুমতি নামে একটি ইটভাটা ভাড়া নিয়ে এ বছর ইট তৈরি শুরু করেছেন। তার ইটভাটায় দেখা গেছে প্রচুর পরিমাণে জ্বালানি কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ইটভাটা মধুমতি নদীর পাড় এলাকা দখল করে মাটি কেটে নিয়ে ইট তৈরি করছে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলেও প্রশাসন নির্বিকার।

এসব ব্যাপার নিয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মনোয়ার হোসেনের সঙ্গে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, অবৈধ ইটভাটা বন্ধে, কৃষিজমি গ্রাস করে ইটভাটা পরিচালনা, জ্বালানি কাঠ পোড়ানোসহ সব ধরনের অপতত্পরতা বন্ধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।