কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) থেকে শুরু হবে। প্রতিদিন দুই হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন। খবর বাসস।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে কক্সবাজারের বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে প্রতিদিন জাহাজ ছাড়া হবে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাতে সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিয়ন্ত্রণে গঠিত কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় কমিটির কার্যক্রম সহজ করতে পাঁচজন নতুন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন সদস্যরা হলেন— সেন্টমার্টিন জাহাজ মালিক সমিতির সভাপতি, হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের (টুয়াক) সভাপতি এবং কক্সবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি।

কমিটির আহ্বায়ক ও কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত ও জাহাজ চলাচল মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

তিনি আরো জানান, পর্যটকদের এন্ট্রি পয়েন্টে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন শেষে ট্রাভেল পাস নিয়ে অনুমোদিত জাহাজে ভ্রমণ করা যাবে। পলিথিন ব্যাগ ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্য পরিবহন নিষিদ্ধ থাকবে।

সেন্টমার্টিনে পৌঁছানোর পর পর্যটকদের থাকার হোটেলের তথ্য রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হবে। প্রবেশ ও জাহাজ ছাড়ার স্থানে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় জানিয়ে বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি তদারকি করবে। কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে চলাচলের জন্য এরই মধ্যে কেয়ারি সিন্দাবাদ নামে একটি জাহাজকে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড লিমিটেডের ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ ছিদ্দিকী জানান, সরকারের নির্দেশনা মেনে বৃহস্পতিবার থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হবে।

এর আগে গত ১৯ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে টেকনাফ ও কক্সবাজারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ট্যুরিজম বোর্ডের প্রতিনিধি, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, কোস্টগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। প্রয়োজনে কমিটি সদস্য সংখ্যা বাড়াতে পারবে।