দিনাজপুরের হিলিতে ঘন কুয়াশায় আক্রান্ত হচ্ছে বোরো বীজতলা। ধানের চারা হলুদ ও লাল বর্ণের হয়ে গোড়া পচে নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি কৃষকের। এ অবস্থায় চারা সংকটে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক। বীজতলা রক্ষায় কৃষককে সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কৃষকরা জানান, হিলিতে কয়েকদিন ধরেই ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা ঝরছে। সারা দিনই আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। কোনো বালাইনাশক প্রয়োগ করেও ফল পাওয়া যাচ্ছে না। আবারো বীজতলা তৈরি করতে হলে বাড়তি খরচের পাশাপাশি বাড়তি সময়ও লাগবে চাষীদের।

হিলির বৈগ্রামের কৃষক আব্দুল রহিম বলেন, ‘বীজতলায় ছিটানো বীজ মরে যাচ্ছে। অন্যান্য বছর এমনটি দেখা যায়নি। চারাগুলো হলুদ ও লাল বর্ণের হয়ে মারা যাচ্ছে। বালাইনাশক দিয়েও কাজ হচ্ছে না। সব বীজতলার একই রকম অবস্থা।’

এ ব্যাপারে হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, বীজতলা স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আর যদি দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলে তাহলে ১২টা পর্যন্ত পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ও রাতে সেটি খুলে রাখতে হবে। বীজতলায় কুসুম গরম পানি স্প্রে করার কথাও বলা হয়েছে কৃষকদের। এছাড়া ম্যানকোজেভ গ্রুপের যে ছত্রাকনাশক রয়েছে, সেটি স্প্রে করলে চারাগুলো সবল থাকবে ও ঘন কুয়াশার কবল থেকে রক্ষা পাবে। কৃষক সে মোতাবেক কাজ করছেন। বীজতলাগুলো ভালো রয়েছে বলেও দাবি তার।