চট্টগ্রামে অবৈধভাবে কোর্ট হিলে সরকারি খাস জমিতে আইনজীবী সমিতির ভবনের নকশা অনুমোদন দেয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের তথ্য চেয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষকে এ চিঠি দেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহমুদুর রহমান হাবিব।
গত ৭ এপ্রিল দেয়া চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রামস্থ পরীর পাহাড়ে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাস জমিতে আইনজীবীদের পাঁচটি বহুতল ভবন অনুমোদন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সিডিএ’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীর নাম, পদবী, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা (স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা), মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ২০০৩-২০০৪, ২০০৪-২০০৫, ২০০৮-২০০৯ ও ২০১৪-২০১৫ সালে পরীর পাহাড়ে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাস জমিতে বিধি-বহির্ভূতভাবে আইনজীবীদের পাঁচটি ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন করেন সিডিএ’র কয়েকজন কর্মকর্তা। এরপর গত বছরের আগস্টে আইনজীবী সমিতি আরো দুটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন।
এ নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনজীবী সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। পরে সরকারের ২৫টি দপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে কোর্ট হিলের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে বলা হয়। যদিও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এর মধ্যেই সিডিএর জড়িত কর্মকর্তাদের তালিকা চেয়ে চিঠি দিল গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
চিঠিতে সিডিএ চেয়ারম্যানকে নকশা অনুমোদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিসমূহের নোটশিটের ফটোকপি, সভার কার্যবিবরণী, অনুমোদিত নক্সার কপি, অনুমোদনের বিবরণীশিটও মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
সিডিএর কাছে অবৈধ ভবন অনুমোদনের ব্যাখ্যা চায় গণপূর্ত
চট্টগ্রামে অবৈধভাবে কোর্ট হিলে সরকারি খাস জমিতে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির ভবনের নকশা অনুমোদন দেয়ার সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের তথ্য চেয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষকে এ চিঠি দেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহমুদুর রহমান হাবিব।










