প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ড. মাহবুব উল্লাহ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না। তিনি গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে নিজের পছন্দমতো ক্ষেত্রে গবেষণামূলক কাজ করবেন। তার গবেষণার ক্ষেত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে অবহিত করবেন। এছাড়া তিনি কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদনও জমা দেবেন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যানকে তার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং গবেষণার তথ্য-উপাত্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে পাঠাবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো জানানো হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তিনি জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর গ্রেড-১ অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। এছাড়া এ পদে থাকাকালীন তিনি অন্য কোনো চাকরি করতে পারবেন না।

এক প্রতিক্রিয়ায় ড. মাহবুব উল্লাহ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এ সম্মাননা আমাকে জ্ঞানচর্চার বড় সুযোগ করে দিয়েছে। এখন থেকে আমি আরো নিবিড় ও গভীরভাবে গবেষণামূলক কাজগুলো চালিয়ে যেতে পারব। এ সুযোগ ও সম্মান প্রদানের জন্য আমি রাষ্ট্রের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। বর্তমানে আমার হাতে বেশকিছু গবেষণা ও অনুবাদের কাজ রয়েছে। গত শতবর্ষে গ্রামবাংলার অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তর নিয়ে গবেষণার কাজ বেশ খানিকটা এগিয়ে আছে। আপাতত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ কাজগুলো দ্রুত শেষ করতে চাই। এরপর আবার নতুন কোনো গবেষণার কাজে হাত দেব।’

বর্ণাঢ্য ছাত্রজীবন শেষে ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন ড. মাহবুব উল্লাহ। সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন রাজস্ব সংস্কার কমিশনের সদস্য ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপ-উপাচার্য। ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে অধ্যাপনা দিয়ে পেশাজীবন শেষ করেন। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তার ১৩টি গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে।