ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইওএম) বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করলেও নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যয়ন করবে না বলে জানিয়েছেন মিশনটির প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবস। তিনি বলেন, ইইউ বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায়।
গতকাল শুক্রবার বিকালে সিলেট প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। আমীনূর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় ছিলেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের প্রেস অফিসার এভারহার্ড লিউই। সভা সঞ্চালনা করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।
ইভারস আইজাবস বলেন, স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও হস্তক্ষেপহীনতা—এ তিন কারিগরি মূল্যায়ন নীতির ভিত্তিতে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এ নির্বাচন কেবল বাংলাদেশের জনগণের বিষয়। ইইউ মনে করে, বাংলাদেশ একটি অংশগ্রহণমূলক, বিশ্বাসযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ও সুপ্রতিষ্ঠিত। ইইউ সবসময় বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। অবাধ, বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নতুন সংসদ গঠিত হবে এবং বাংলাদেশ আরো গতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান বলেন, ঐতিহাসিক এ নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে আয়োজন করা জরুরি।
তিনি জানান, ভোটের দুদিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউ-ইওএম ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে একটি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করবে। ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশ তুলে ধরে একটি পূর্ণাঙ্গ, চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত হবে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান।














