রাজশাহীর বাগমারায় প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের আট সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার ভবানীগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন নওগাঁর পত্নীতলার চক ভবানী এলাকার মোরশেদুল আলম (৪৮), বাগমারার
রামগুইয়া এলাকার মমিন মণ্ডল (২১), জাকিরুল
ইসলাম (৩৭), শামসুল
ইসলাম (৪৫), দানগাছি
এলাকার দুলাল হোসেন (৪৮), গুনিয়াডাঙ্গার
শরিফুল ইসলাম (২৫), খালিশপাড়ার
তোফায়েল হোসেন (৩৩) এবং
নাটোরের নলডাঙ্গা এলাকার তৌহিদুল ইসলাম জনি (৩৩)।
এদের মধ্যে জাকিরুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম ও তৌহিদুল ইসলাম জনি স্থানীয় আদর্শ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।
র্যাব বলছে, মোরশেদুল আলম চক্রের হোতা। অন্যরা তার সহযোগী। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র থেকে সেলফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে এনে দিতেন কেউ। কেউ গাইড বই দেখে সমাধান করতেন। পরে স্বল্পমূল্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে বিভিন্ন মাধ্যমে সরবরাহ করতেন।
অভিযানে এ চক্রের কাছে এইচএসসির একসেট মূল প্রশ্নপত্র, ফাঁস করা প্রশ্নের ২০০ সেট উত্তর, পাঁচটি গাইড বই এবং দুটি ফটোকপি মেশিন জব্দ করেছে র্যাব। এ নিয়ে বাগমারা থানায় মামলাও হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, ভবানীগঞ্জে চলমান এইচএসসি (বিএমটি/বিএম) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের গোপন তথ্য ছিল র্যাবের কাছে। এ নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব-৫-এর একটি দল। বৃহস্পতিবার
বিএমটি/বিএম শাখার হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষা চলাকালে অভিযান চালিয়ে চক্রের আট সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।









