নীতি সহায়তার অভাবে ১৯৯৫ সালের পর দেশে নতুন কোনো ব্যবসায়ী প্রজন্ম আসেনি বলে দাবি করেছেন এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি আমিরুল হক। তিনি বলেন, আগে থেকেই যারা ব্যবসা করছে, ’৯৫ এর পরে শুধুমাত্র তাদের ছেলে-সন্তানরা ব্যবসায় এসেছে। এর বাইরে নতুন কোনো প্রজন্ম ব্যবসায় আসেনি। এটা দেশের জন্য বড় সংকট হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এক পলিসি কনক্লেভে এ কথা বলেন তিনি। 'বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা' শীর্ষক এ কনক্লেভের আয়োজন করেছে দৈনিক বণিক বার্তা।
অনুষ্ঠানে আমিরুল হক বলেন, দেশের সিমেন্ট খাতের ৯০ শতাংশই একসময় বিদেশীরা নিয়ন্ত্রণ করতো। কিন্তু বর্তমানে সিমেন্ট বাংলাদেশ থেকে রফতানি হচ্ছে। দেশের গার্মেন্টস শিল্প থেকে শুরু করে ঔষধ শিল্প-সবই বাংলাদেশীরাই করেছে। এগুলো কোনো বিদেশী এসে করেনি। শুধুমাত্র নীতি সহায়তা দিলেই আমাদের অনেক কিছু করার আছে।
তিনি আরো বলেন, অনেকে বলেন, বাংলাদেশ দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। নীতি সহায়তা না দিলে দক্ষ লোক কেন থাকবে? তারা সবাই তো বিদেশে চলে যাবে। আমরা ছোট কিংবা মাঝারি আকারের কার্গোতে করে গ্যাস আমদানি করি। কিন্তু এ জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর সেখানে ডিসচার্জ করার অনুমতি দেয়া হয় না। কুতুবদিয়ায় ডিসচার্জ করতে বলা হয়। কিন্তু সেখানে তো কার্গো ডিসচার্জ করার অবস্থা নেই।
আমিরুল হক বলেন, আমাদের হাত বাধার কারণে অনেক কিছুই করতে পারি না। সরকার নিজের ইচ্ছেমতোই যখন-তখন নীতি তৈরি করে। যেকোনো নীতি অবশ্যই জনগণ ও অংশীজনের মতামত নিয়ে তৈরি করা উচিত।










