শীতের জেলা পঞ্চগড়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে বেড়েছে ঘন কুয়াশা। গত ২-৩ দিন থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে গোটা এলাকা। এখানে অক্টোবরের শুরু থেকেই শীতের আমেজ শুরু হয়। তবে নভেম্বর থেকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ডিসেম্বর ও জানুয়ারি জুড়ে কনকনে শীত অনুভূত হয়। শুক্রবার (২২) সকালে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে, গতকাল ২১ নভেম্বর তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০ নভেম্বর ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পঞ্চগড়ের প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর ৬টায় পঞ্চগড়ে ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, অগ্রহায়ণ মাস থেকেই এ জেলায় শীত বাড়তে থাকে। আগামী পৌষ-মাঘ মাস বেশি শীত পড়ে। রাত বাড়তে থাকলে শীত আরও বাড়ে।

এদিকে দিনে গরম এবং রাতে শীতের কারণে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সর্দি, কাশি, নিউমনিয়া ও ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মেঝে বা বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী।

আগাম প্রস্তুতি হিসেবে স্থানীয় মানুষজন শীতের কাপড় বের করতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে রাতে পথচারী ও মোটরসাইকেল চালকদের শীতের কাপড় পরতে দেখা গেছে। জেলা শহরের লেপ তোষকের দোকানেও বেড়েছে কর্মব্যস্ততা।

তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ জানান, এ তিন দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে এবং সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে।