গতকাল কুমিল্লা টাউন হলে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক ও কোটবাড়ি এ এইচ কে স্যাটেলাইট সিটির ধারণাপত্র উপস্থাপনবিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলমান আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির (ইরান-ফিলিস্তিন) কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের যে চ্যালেঞ্জ, এটাও সংকটের অন্যতম কারণ। সরকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
জ্বালানি নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের গ্যাস উত্তোলন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যাপকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির মজুদ তৈরি করা এবং আমাদের নিজস্ব যে গ্যাস সংযোগ আছে, যেমন ভোলায় এরই মধ্যে আবিষ্কৃত গ্যাস কীভাবে ম্যানুয়ালি আনা যায়—এসব উৎপাদনে মধ্যম মেয়াদি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এক-দেড় বছরের মধ্যে এর সুফল পাওয়া যাবে। একমাত্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এ কারণে আমাদের ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়েছে। এতে একদিকে আর্থিক চাপ তৈরি করেছে, অন্যদিকে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।’
গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে হাজারো শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এবং এখনো যারা শরীরে ক্ষত নিয়ে জীবনযাপন করছেন, তাদের প্রতি আমাদের যে ঋণ, সেটি হচ্ছে গণতান্ত্রিকভাবে এবং সমস্ত উন্নয়নকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা।’
সেমিনারে মূল ধারণাপত্র পাঠ করেন কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর চাপ কমাতে বিকল্প আরেকটি মহাসড়ক অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রস্তাবিত মহাসড়কটি নির্মাণ হলে অবহেলিত কুমিল্লার উত্তরাঞ্চলেও কৃষি ও শিল্প বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান আমির প্রমুখ।










