বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারতের আলু, চাল, গম, পেঁয়াজসহ যেসব পণ্য আমরা আমদানি করি, সেগুলো নাকি তারা বন্ধ করে দিবে। ভারত রফতানি বন্ধ করে দিলে তাদের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভারতই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উলাইল ইউনিয়নের রুপসা গ্রামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও আহত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনজন শহীদ ও দুইজন আহতের পরিবারের প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘তারা হয়তো মনে করেছেন, তারা বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো দেশ থেকে এসব পণ্য আনতে পারবে না। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। অন্যের জন্য গর্ত করলে যে সেই গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়, তার প্রমাণ শেখ হাসিনা। তিনি খালেদা জিয়াকে বিনা অপরাধে কারাগারে বন্দি রেখেছিলেন। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে, ২ হাজার ছাত্র-জনতার হত্যার দায় নিয়ে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেছেন।’

আমরা বিএনপি পরিবারের সভাপতি আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুলসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা ও আহতরা বক্তব্য রাখেন। পরে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে আইন শৃঙ্খখলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে মানিকগঞ্জ জেলায় শহীদ রফিকুল ইসলাম, আফিকুল ইসলাম সাদ ও ছায়াদ মাহমুদ খান এবং আহত সাকিব খান ও হাসনা হেনার পরিবারগুলির মাঝে আর্থিক সহায়তা দেয় 'আমরা বিএনপি পরিবার' নামের সংগঠনটি।