টানা ২৩ দিন পর খুলছে বান্দরবানের ঘুনধুম সীমান্তে সাময়িক বন্ধ থাকা পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আজ থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান চলবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে দেশটির বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির সংঘর্ষ শুরু হয়। দিনের পর দিন সংঘর্ষের মাত্রা বেড়ে তীব্র রূপ নেয়। এর ফলে মিয়ানমারের ছোড়া মর্টারশেল, বোমা ও গুলি এসে পড়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় সৃষ্টি হয় আতঙ্ক। ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের ছোঁড়া মর্টারশেল বিস্ফোরণে ঘুনধুম ইউনিয়নের জলপাইতলীতে হোসনে আরা (৫৩) নামে বাংলাদেশীসহ এক রোহিঙ্গা নিহত হন। এ ঘটনায় আরো এক শিশু আহত হয়েছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতার কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনা করে পাঁচটি বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিদ্যালয়গুলো হলো বাইশারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিমকুল তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ঘুনধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, বান্দরবান সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বিদ্যালয় পাঁচটি খুলে দেয়া হয়েছে। অন্যান্য বিদ্যালয়ের মতো আজ থেকে নিয়মিত পাঠদান চলবে।