তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ ছিল ১ হাজার ২৫৬ জনের।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে ছয়জন মারা গেছে, তাদের পাঁচজনই ঢাকা বিভাগের এবং একজন বরিশাল বিভাগের। এ সময় হামের উপসর্গ ছিল ১ হাজার ১৬২ জনের। আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৪ জনের। সব মিলিয়ে একদিনে হাম ও হামের উপসর্গের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫৬।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৭৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরো ৯৯ শিশু। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭৩।

এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৪০৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৯১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৩১২ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া নিয়মিত এ পরিসংখ্যানে বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে যত মৃত্যু হচ্ছে, তার সবই হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করা হয়।