গণগ্রেফতার বন্ধ, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও আটক শিক্ষার্থী-জনতার মুক্তি দাবিতে দ্রোহযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ আগস্ট) বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে জড়ো হন কবি, শিল্পী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। সমাবেশের পর দ্রোহযাত্রা শুরু হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। দ্রোহযাত্রায় হাজারো মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. রোবায়েত ফেরদৌসসহ অন্যান্য শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে সমাবেশে প্রতিবাদী গান ও কবিতা আবৃত্তি হয়।
সভাপতির বক্তব্যে আনু মুহাম্মদ মুক্তিযুদ্ধকে দখলদারদের হাত থেকে জনগণের হাতে নিয়ে আসার আহ্বান জানান। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আলোচনার প্রস্তাব দেন তিনি।
আনু মুহাম্মদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নামে আর কোনো গণহত্যা চালাতে দেয়া যাবে না। আমাদের ইতিহাস শুধু মার খাওয়ার ইতিহাস নয়। প্রতিরোধেরও ইতিহাস। সরকারের বিরুদ্ধে অনেক বিচার জমেছে।
দ্রোহযাত্রা কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয় প্রেসক্লাব এলাকায়।
প্রেসক্লাব থেকে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে দ্রোহযাত্রা শুরু হয়। দ্রোহযাত্রায় অংশ নেয় সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
দ্রোহযাত্রার পাশাপাশি দেয়াল লিখনও চলেছে।
আলোচিত আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মী মানজুর আল মতিন প্রীতমকে ঘিরে আন্দোলনকারীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায়।
চিত্রনায়ক সিয়াম ও নায়িকা সুনেহরা বিনতে কামালও শহীদ মিনারের সমাবেশে উপস্থিত
ছিলেন।
দ্রোহযাত্রা চলার সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ করতালি দিয়ে সমর্থন জানায়।
রং-তুলির আঁচরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনের রাস্তায়ও স্লোগান লেখেন আন্দোলনকারীরা।
শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয় দ্রোহযাত্রা। এ সময় রোববার (৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে গণমিছিলের ঘোষণা দেয়া হয়।










