জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কাজের ব্যস্ততা বেড়েছে চাঁদপুরের ৫৯টি ছাপাখানায়। কাগজের পাশাপাশি কালির দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রার্থীরা পোস্টার কম ছাপাচ্ছেন। এছাড়া অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে প্রচারমাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিকতা বজায় রাখতে কিছু পোস্টার প্রার্থীরা ছাপাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আগের তুলনায় সীমিত পরিমাণ মুনাফা হচ্ছে বলে দাবি ছাপাখানা মালিকদের।
এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, জেলায় ডিজিটাল ও অফসেট মিলিয়ে ৫৯টি ছাপাখানা রয়েছে। এর মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলায় ১৬টি, কচুয়ায় সাতটি, মতলব দক্ষিণে চারটি, মতলব উত্তরে চারটি, হাজীগঞ্জে ১২টি, শাহরাস্তিতে তিনটি, ফরিদগঞ্জে চারটি এবং হাইমচরে নয়টি ছাপাখানা রয়েছে। চাঁদপুরের পাঁচটি নির্বাচনী এলাকার ২৯ প্রার্থী তাদের প্রচারপত্র এসব ছাপাখানায় তৈরি করছেন।
শহরের হাজী মুহসীন রোডের চাঁদ অফসেট প্রেসের মালিক শরীফ হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বর্তমানে প্রতি রিম বড় সাইজের ৫৫ গ্রাম কাগজের দাম ২ হাজার ৩০০ টাকা, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩০০ টাকা। বেড়েছে কালির দামও। দেড় বছর আগে কোম্পানিভেদে প্রতি পাউন্ড কালির দাম ছিল ১৫০ টাকা। এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা।’
কালীবাড়ি কারমাইকেল প্রেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিনয় ভূষণ মজুমদার বলেন, ‘ছাপাখানায় আগের তুলনায় এখন ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রার্থীরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে প্রচারমাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিকতা বজায় রাখতে কিছু পোস্টার ছাপালেও আমাদের লাভ হয় সীমিত।’
চাঁদপুর প্রেস মালিক সমিতির সভাপতি দুলাল পাটোয়ারী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কাগজপত্র গোছানো থেকে শুরু করে পোস্টার তৈরির পুরো কাজের সঙ্গে অনেক মানুষ জড়িত। সবাই চায় ভালো কাজটা গ্রাহককে পৌঁছে দিতে। নির্বাচনী পোস্টার তো আছেই, পাশাপাশি নতুন বছরের ক্যালেন্ডার ও প্যাড তৈরিতেও ব্যস্ত সময় পার করছি আমরা। তবে ছাপাখানার জন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম বেশি হওয়ায় মালিকরা হিমশিম খাচ্ছেন।’










