তেল পিঠা, ঝিনুক পিঠা, রংধনু খাজা পুলি, গোলাপ পিঠা, বিবি খানা পিঠা,চিতই পিঠা, পুলি, পাটি সাপটা, হৃদয় হরণ, মুগ পাকন, ঝাল কুশলী, চিংড়ি পিঠা, তাল পিঠা, বিস্কুট পিঠা, মনকারা, বকুল পিঠা, ভাপা- আরো নানা নামের ও স্বাদের পিঠা। বগুড়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থী  ও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছিল পিঠা উৎসব। আজ

শুক্রবার সকাল থেকে রাত অবদি এ পিঠা উৎসবে ছিল উপচে পড়া ভিড়। শহরের টিটু মিলনায়তন চত্বরে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। 

বগুড়ার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মাটিডালী উচ্চ বিদ্যালয়, ফয়েজুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়, ইয়াকুবিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইচ্ছে তুলি আর্ট গ্যালারি, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইউনিক পাবলিক স্কুল, একে আজাদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভান্ডারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, টিএমএসএস দাখিল মাদ্রাসা, মর্নিং বেল স্কুল,  ওয়াইএমসিএ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আকবরিয়া গ্র্যান্ড হোটেল এ উৎসবে অংশ নেয়। 

পিঠা উৎসবে স্টল দেয়া ‘ইচ্ছে তুলি আর্ট গ্যালারির’ আবু লায়েছ নিক্সন ও সাইফুন নাহার লিনা জানান, তারা প্রায় ২২ প্রকার পিঠা এনেছিলেন। নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যবাহী পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ উৎসবের আয়োজন। অনেক প্রতিষ্ঠানকে গরম গরম পিঠা পরিবেশন করতেও দেখা যায়। 

লিটল থিয়েটার, ভোর হলো ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার এই উৎসবের আয়োজন করে। জেলা প্রশাসন, বগুড়া থিয়েটার, কলেজ থিয়েটারের সহযোগিতায় পিঠা উৎসবে বগুড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়। সকালে শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনের রোমেনা আফাজ মুক্তমঞ্চে ১৮তম পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মকবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ।