কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের বালু জমিতে শাঁসযুক্ত উচ্চ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ মিষ্টি আলুর চাষ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গতকাল এ আলুর ফলন এবং স্বাদ পরীক্ষায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাঠ দিবসে এ শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলু দিয়ে পিঠা, কেক, বিস্কুট, পরোটা, রুটি, চানাচুর, পায়েসসহ ৩৮ প্রকারের সুস্বাদু খাবার তৈরি করে তা প্রদর্শনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে খাওয়ানো হয় এবং এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়।
কুড়িগ্রাম পৌরসভার হানাগর এলাকায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ষষ্টি চন্দ্র রায়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, ইন্টারন্যাশনাল পটেটো সেন্টার বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ মো. মনোয়ার হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, গণউন্নয়ন কেন্দ্রের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. মাহমুদুল হাসান রুমেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলু একটি উচ্চফলনশীল ফসল। চরের বালু জমিতে বিঘাপ্রতি ১৩০ মণ পর্যন্ত এ আলুর উৎপাদন হয়। এ আলুর চাহিদা বেশি। বর্তমান বাজারে প্রতি মণ আলুর দাম ৫০০-৬০০ টাকা। কৃষকরা কম খরচে উৎপাদিত এ আলু বাজারে বিক্রি করে অন্যান্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবান হতে পারবেন। কমলা শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলু চাষ করতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেন বক্তারা।










