ট্রেন অবরোধ করে রাখাসহ টানা আন্দোলনের পর আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিচ্ছে পঞ্চগড়-ঢাকা চলাচলকারী আন্তঃনগর ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’ ট্রেন। যাত্রা শুরুর প্রথমে ট্রেনটির শুধুমাত্র তিনটি স্টেশনে যাত্রা বিরতি থাকলেও সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ট্রেনটির যাত্রা বিরতি দিয়েছে। এবার বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনেও যাত্রা বিরতির ঘোষণা এলো। ট্রেনটি দ্রুত ঢাকায় পৌঁছায় বলে স্থানীয়রা এই ট্রেনের যাত্রা বিরতির জন্য বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছিলেন। 

বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম ডালিম জানান, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে সান্তাহার জংশন স্টেশনে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বিরতি দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সান্তাহার জংশন স্টেশনের জন্য সর্বমোট ১৩৩টি আসন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি এসি চেয়ার ও ১১৮টি শোভন চেয়ার আসন রয়েছে।

তিনি জানান, প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনে পৌঁছেবে এবং ৫টা ১০ মিনিটে সরাসরি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) থেকে টিকিট বরাদ্দ এবং ট্রেনের যাত্রা বিরতির নির্দেশ পাওয়া গেছে। 

২০১৯ সালের ২৫ মে থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি পঞ্চগড় ঢাকার মধ্যে চলাচল শুরু করে। ট্রেনটি পঞ্চগড় থেকে ছাড়ার পর ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও পার্বতীপুর যাত্রা বিরতি দিয়ে সরাসরি ঢাকায় যেতো। জংশন স্টেশন হওয়া সত্ত্বেও বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনে যাত্রা বিরতি না দেয়ায় এই এলাকার যাত্রীরা সান্তাহারে বিরতির দাবি করে। 

পরে যাত্রীদের সংগঠন ‘ট্রেন যাত্রা বিরতি বাস্তবায়ন কমিটি’ ট্রেনটির বিরতির জন্য মানববন্ধন, ট্রেন বিরতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনসহ ট্রেন অবরোধও করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।