দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলাকে মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে একটি প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনাও (পিডিপিপি) তৈরি করে সেতু বিভাগ। তবে প্রকল্পটিতে অর্থায়নে অনাগ্রহ দেখিয়েছে নেদারল্যান্ডস সরকার। অর্থ সাহায্য চেয়ে আরো কয়েকটি দাতাগোষ্ঠীকে চিঠি দেয়া হলেও তারা নিশ্চুপ। এমতাবস্থায় অর্থায়ন নিশ্চিত না হওয়ায় পিছিয়ে যাচ্ছে ডিপিপি তৈরির কাজ।জানা গেছে, ‘কনস্ট্রাকশন অব ভোলা ব্রিজ অন বরিশাল-ভোলা রোড ওভার দ্য রিভার তেঁতুলিয়া অ্যান্ড কালাবদর’ শীর্ষক প্রকল্পটির জন্য চীন, জাইকা, এডিবি, আইডিবি, বিশ্বব্যাংকসহ একাধিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছে প্রকল্প সাহায্য পেতে চিঠি দেয়া হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে গত ২ জানুয়ারি ফ্রান্সের এএফডি, ৯ ফেব্রুয়ারি জাপানের ওডিএ এবং ১০ ফেব্রুয়ারি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কাছে অর্থসহায়তা চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছিল। এর আগে ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সড়ক পরিবহন উইং থেকে এ প্রকল্পে বৈদেশিক সহায়তাপ্রাপ্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ইআরডিকে অনুরোধ করে ভৌত অবকাঠামো বিভাগ। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নেদারল্যান্ডস সরকারের কাছে এ প্রকল্পে অর্থসহায়তা চাওয়া হলে চলতি বছরের ২০ আগস্ট প্রকল্পটিতে অর্থায়নে অপারগতা প্রকাশ করে দেশটি। ফলে অর্থায়ন নিশ্চিত না হওয়ায় প্রকল্পটির মেয়াদ ও প্রকল্প ব্যয় আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কালাবদর ও তেঁতুলিয়া নদীর ওপর ভোলা সেতু নির্মাণে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে থেকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়। ৫৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় কাজটি করছে যথাক্রমে এসটিইউপি কনসালট্যান্ট প্রাইভেট লিমিটেড, সিওডব্লিউই, ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্ট ও বাংলাদেশী ডেবকন লিমিটেড। চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের সময়সীমা ধরা হয়েছে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের চার লেনের সেতুটি নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার ও ১০ হাজার ২৬১ কোটি টাকা সহযোগী উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে নির্ধারিত









