ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের সেবা করাই জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্ব। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও দ্বন্দ্বে জড়ালে জনগণ, দল ও এলাকার ক্ষতি হবে। তাই সবাইকে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।’
গতকাল মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর, হরিরামপুর, শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গা পূজা ও বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানান।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে দেশের বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি জনপ্রতিনিধিদের নিজ নিজ জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খোঁজখবর নেয়া, তাদের কোনো সমস্যা রয়েছে কিনা তা চিহ্নিত করা এবং সেসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গা পূজা ও বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। মানিকগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচিত করায় তিনি জেলাবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানিকগঞ্জের মানুষের ভালোবাসা ও নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে যারা তার পাশে ছিলেন, তাদের অবদান তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। জনগণের এ আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তারাও আমাদের; যারা ভোট দেননি, তারাও আমাদের। আমরা সবার জনপ্রতিনিধি।’
জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। দেশকে ভালোবাসি বলেই দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’










