দেশে বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় মূল্যস্ফীতি কমাতে হলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি আজ সোমবার (৫ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রাণ-প্রকৃতি সম্মেলন ২০২৫’ এর প্রথম অধিবেশনে এসব কথা বলেন।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে দেশের কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। স্বাধীনতার পর আমাদের খাদ্য শস্য উৎপাদন ছিল ১ কোটি টন, যা এখন ৫ কোটি টন ছাড়িয়েছে। এ সময়ে দেশের কৃষি খাতের মোট উৎপাদন ৩ হারে বেড়েছে, যেখানে সারা বিশ্বে ২ দশমিক ৪ শতাংশ হারে বেড়েছে। উৎপাদনের দিক থেকে আমরা যথেষ্ট এগিয়েছি। কিন্তু তারপরও আমাদের খাদ্য সংকট আছে, সমস্যা আছে। প্রতি বছর আমাদেরকে ১ কোটি টনের বেশি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য আমদানি করতে হয়। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেছি বলা হয়ে থাকে। এটা কথার কথা, অনেকটা রাজনৈতিক—এর কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমরা যে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি সেটি নিয়ন্ত্রণে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ছাড়া কোনো উপায় নেই। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও আমদানি নির্ভরতা কমাতে হলে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু প্রবৃদ্ধির হার কমে যাচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে কৃষিতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। টাকার অংকে সরকারের বরাদ্দ বাড়লে সেটি আনুপাতিক হারে কমে যাচ্ছে। কৃষিতে ভর্তুকিও কমে গেছে।









