পঞ্চগড়সহ ছয়টি চিনিকল চালু, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক-কর্মচারীদের ছাঁটাই বন্ধ ও মৌসুমি শ্রমিকদের মজুরি প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পঞ্চগড় চিনিকলের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীরা। গতকাল দুপুরে পঞ্চগড় চিনিকলের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম ও প্রবীণ কর্মচারী আব্দুল লতিফ বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, পঞ্চগড় চিনিকলে ২৪৮ জন শ্রমিক চুক্তিভিত্তিতে কাজ করেন।
ছয়টি চিনিকলে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকের সংখ্যা ২ হাজার ৮৬৮।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন বন্ধ চিনিকলগুলোর কোনো কর্মচারী ও কর্মকর্তাকে ছাঁটাই করা হবে না বলে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছে।
আখ ক্রয় কেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য শিল্প সচিব ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন।
সেখানে পঞ্চগড় চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ নির্দেশ না মেনে আমাদের ছাঁটাই করছেন।
যদি স্থায়ী চুক্তিভিত্তিক সেন্টারগার্ড কাম স্কেলম্যানদের অব্যাহতি দেয়ার চিঠি প্রত্যাহার করা না হয়, তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
পঞ্চগড় চিনিকলের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক-কর্মচারীদের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, বিনা নোটিসে আমাদের সেন্টার ছেড়ে দেয়ার চিঠি দেয়া হয়েছে।
আসলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে একটি অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পঞ্চগড় চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
আমরা সেন্টার ছেড়ে দেব না।
আমাদের দাবি না মানলে ২৬ জুন থেকে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক-কর্মচারীরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে।
পঞ্চগড় চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খুরশিদ জাহান মাফরুহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
তবে চিনিকলের পরিচালক (প্রশাসন) ইউসুফ আলী সাংবাদিকদের জানান, পঞ্চগড় চিনিকলের আখ মাড়াই বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।
কাজ নাই, মজুরি নাই ভিত্তিতে ওই শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
নিয়ম অনুযায়ী গত ডিসেম্বরে ১০০ জন, এপ্রিলে ৫০ জন, ৩১ মে ৭০ জন শ্রমিকের কাজ না থাকায় তাদের কাজে না আসার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে।









