এ অবস্থায় মশকনিধন কার্যক্রমে প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। নিয়মিত মশকনিধন না হওয়া এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশার প্রজননস্থল থাকায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্যাথলজি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২-৩১ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ৪৮০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা করান। তাদের মধ্যে ৪৯ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, জ্বর, মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়ার পর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর কেউ চিকিৎসা নিচ্ছেন, আবার কেউ বাড়িতে চলে গেছেন।