ঝিনাইদহের বিভিন্ন উপজেলায় নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলো অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। কয়েকটি কমপ্লেক্সের কিছু দোকান বরাদ্দ দেয়া হলেও অনেকগুলো এখনো তালাবদ্ধ রয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ। কারণ হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, ভবনগুলো পুরোদমে চালু রাখতে প্রয়োজন নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
ঝিনাইদহ এলজিইডির দেয়া তথ্যমতে, সদরসহ জেলার ছয় উপজেলায় ছয়টি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১২ কোটি ৪১ লাখ টাকা। কমপ্লেক্সগুলোর দোকান ভাড়া থেকে অর্জিত আয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা ও অফিসের দৈনন্দিন আয় মেটানোর কথা থাকলেও সেটা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। সে সঙ্গে সেখানে গিয়ে সময় কাটাতেও পারছেন না জাতির বীর সন্তানেরা। মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচিত কমিটি না থাকায় ভবনগুলো ব্যবহার হচ্ছে না। দ্রুত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত কমিটির হাতে ভবনগুলো বুঝিয়ে দিলেই বাস্তবায়িত হবে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য।
শৈলকুপা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেন মালিতা বলেন, ২০১৪ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচন হয়েছিল। ২০১৭ সালে মেয়াদ শেষ হয়েছে। তারপর থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউনিট কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সাবেক ইউনিট কমান্ডার হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন বিষয় দেখভাল করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আগের অফিসে বসছেন। মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হলেও তা হস্তান্তর করা হয়নি। ঘর ভাড়া নিয়ে আমাদের বসতে হয়।
এ ব্যাপারে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার ও জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলোর কিছু অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। কিছু দোকান ভাড়া দেয়া হয়েছে। তা থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করা হয়। তার পরও যেগুলো তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে সেগুলো যেন ব্যবহার হয় সে ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।









