সরকার নির্ধারিত ৩০ টাকা কেজি ধান ও ৪৪
টাকা চালের ক্রয়মূল্য উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, কৃষক যেন
গুদামে ধান নিয়ে এসে হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তাদের নিশ্চিত করতে
হবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট সবাই ধান ও চাল কিনবেন।
আজ রোববার (৭ মে) সকালে অনলাইনে অভ্যন্তরীণ
বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।
প্রথম দিনে বগুড়া সদরে ৪০ হাজার টন চাল
ও তিন হাজার মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হয়।
অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাদ্য মন্ত্রাণালয়ের সচিব (এনডিসি) ইসমাইল হোসেন।
এ সময় বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা সংগ্রহ
ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী
সাইফুদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মো. মকবুল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের
উপ পরিচালক মো. মতলুবর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নিলুফা ইয়াসমিন,
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিগ্ধ আকতার, বগুড়া মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান,
সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মনিরুল হকসহ জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সদস্যরা।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সুত্রে
জানা যায়, এবার ১৪ হাজার ১২৮ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর
সিদ্ধ চাল ধরা হয়েছে ৫৭ হাজার ৬৩৯ টন। সংগ্রহ অভিযান শেষ হবে ৩১ আগস্ট।
এবারো বগুড়া সদর, শাজাহানপুর, শেরপুর, দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি এই ৫টি উপজেলায় ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। অভিযানে সাহায্য করবে অটোমেটিক মিল ৩৯টি ও ৬৫৪টি হাস্কিং মিল। সব মিলিয়ে ৬৯৩টি মিল।









