গতকাল নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
প্রথমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ওই চুক্তিতে যোগ দেয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও ওই চুক্তিকে ইতিবাচক বর্ণনা করে বলেন, ‘এ চুক্তি যদি বিস্তৃত হয়—এটা হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এটা মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটা নিয়ে কারো—অন্যদের উদ্বেগের অবকাশ নেই।’
মক্কা চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এ প্যাক্টকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি। কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’
গতকাল ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের আগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। মক্কা চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ মন্তব্যের বিষয়ে ভারতের ভাবনা জানতে চাইলে জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা সব ঘটনার ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি। বিশেষ করে তা যদি ভারতের নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় হয়। নিরাপত্তা সুরক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকি।’
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। সম্প্রতি দুটি পরিবার আক্রান্ত হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা নিহত হয়েছেন, তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বা নিয়েছে কিনা, উল্লেখ করে ওই সাংবাদিক জানতে চান, এটা ভারতের কাছে উদ্বেজনক কিনা। জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ মন্তব্য করেননি। প্রশ্নের উত্তরে তিনি শুধু বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মোকাবেলা করা বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব তাদের পালন করা উচিত।’










