স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আজ রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষ্যে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আত্মহত্যাকে 'না' বলার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যত বড় বিপদই আসুক না কেন, জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্য অর্জনের জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই মানুষ উন্নতির শিখরে আরোহন করতে পারে।
তিনি আরো বলেন, পিতা-মাতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে নিতে হবে। যেসব বিষয় পিতা-মাতা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব হয় না, সেসব বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবেলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমাজকে সচেতন করার ওপর জোর দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গড্ডলিকা প্রবাহে সমাজকে চলতে দিলে সমাজ খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। তাই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে ইতিবাচক চিন্তা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন৷।










