সোমবার দুপুরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে শাহিন রাজ নামে এক তরুণকে আটক করে ভাটারা থানা পুলিশ। আটকের একটু পরই ছেলেকে দেখতে ছুটে যান শাহিন রাজের মা রহিমা। ততক্ষণে শাহিন রাজকে প্রিজন ভ্যানে তুলে ফেলেছে পুলিশ। সন্তানকে প্রিজন ভ্যানে দেখে খেই হারিয়ে ফেলেন
তিনি। উপস্থিত পুলিশ ও গণামধ্যমকর্মীদের দিকে তাকিয়ে বারবার প্রশ্ন করছেন— ‘আমার ছেলেকে ধরল কেনো?’
মায়ের কান্না দেখে গণমাধ্যমকর্মীরা তার বক্তব্য জানতে চান। কথা বলতে গিয়ে দাঁড়ানো থেকে সড়কে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এ সময় তিনি বলছিলেন,
আমি হার্টের রোগী, আমার ছেলেকে ধরল কেন? আমার ছেলে তো কিছু করে নাই। সে ছাত্রও না।
কথা বলতে গিয়ে বারবার থেমে যাচ্ছিল রহিমার
কণ্ঠ। তিনি বলছিলেন, ‘আমার ছেলেকে বাজারে পাঠিয়েছিলাম। আমার শরীর খারাপ তাই, ছেলে বাজার করতে বেরিয়েছে। এখন তাকে ধরল কেন?’
এভাবে রাস্তায় আহাজারি করতে করতেই প্রিজন ভ্যান রওনা দিয়েছে ভাটারা থানার উদ্দেশে।
ঘণ্টাখানেক পর ভাটারা থানায় আটককৃতদের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে দেখা যায় শাহীন রাজের মা রহিমাও থানায় এসেছেন। তিনি জানান, আমার ছেলের বাবা নেই। আমি মানুষের বাসায় কাজ করি। কীভাবে কী করব বুঝতে পারছি না। থানায় এসেছি, কেউ আমার ছেলের সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছে না। আমাকে বাইরে বের করে দিচ্ছে। আমার ছেলে তো ছাত্র না। সে কোথাও পড়েও না। তাকে ধরল কেন?’










