বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা। আজ শনিবার সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে রেকর্ড বরাদ্দ এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী অর্থবছরে এ খাতের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংকট বাংলাদেশের আমদানি নির্ভর জ্বালানি নীতির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করেছে। এ কারণে সরকার সমুদ্র ও স্থলভাগে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ২৪ মে অফশোর বিডিং রাউন্ড শুরু হয়েছে, যা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১৯৯৩ সালের সফল অফশোর বিডিংয়ের মতো এবারও বাংলাদেশ নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করবে।
ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময়েও দ্বিতীয় ইউনিট প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে বর্তমান সরকার সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের তেল পরিশোধন সক্ষমতা ৫০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে।
সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে শুল্ক ছাড় ও নীতিগত সহায়তা প্রদানকে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।










