কুড়িগ্রামের রৌমারীতে কাপড় সেলাইয়ের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তারাবানু নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। গতকাল সকালে উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের জিগনীকান্দী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
আহত তারাবানু জিগনীকান্দী গ্রামের জনাব আলীর স্ত্রী। অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মৃত ঘুতু শেখের ছেলে সাহাবুদ্দিন, সাহাবুদ্দিনের ছেলে আজিবর, স্ত্রী আজিরন ও ছেলের বউ আজিবরের স্ত্রী মৌসুমী।
আহত তারাবানু বলেন, ১৫ দিন আগে আজিবর আমার কাছ থেকে দুই সেট জামা ও একটি বড় জাল সেলাই করিয়ে নেন। কাজের মজুরি ৫০০ টাকা তখন দেননি। গতকাল সকালে টাকা চাইতে গেলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে চলে যেতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর তিনি আমার বাড়িতে এসে আমাকে মারধর শুরু করেন। পরে তার বাবা সাহাবুদ্দিন, মা আজিরন ও স্ত্রী মৌসুমী এসে মারধরে যোগ দেয়। এ সময় আমার মাথা ফেটে রক্ত বের হলে তারা চলে যায়। পরে গ্রামবাসী আমাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, তারাবানুর চিত্কার শুনে আমরা ছুটে আসি। এসে দেখি সাহাবুদ্দিনসহ চারজন তারাবানুকে পিটিয়ে আহত করেছে। আমরা ধমক দিলে তারা চলে যায়।
রৌমারী থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।









