শাহবাগ থেকে একটি মিছিল বের হয়ে রাজধানীর
বাংলামোটর হয়ে ফার্মগেট আসে। কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর এই মিছিল বিজয় সরণির দিকে যায়।
পরে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গন্তব্যে ফিরে যায়।
এর আগে সরকার পতনের এক দফা দাবি ঘোষণা করেছে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শনিবার (৩ আগস্ট) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এই ঘোষণা
দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। বক্তব্যে নাহিদ জানান, তাদের দাবি এখন এক
দফা। যা হলো স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ। এছাড়া আরো যেসব
বিষয় উঠে এসেছে সেগুলো হলো—
১.
ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে যেখানে
সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করা হবে
যাতে বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে।
২. অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক অসহযোগ
আন্দোলন।
৩. পাশাপাশি আগামীকাল সকল জেলা, উপজেলা,
পাড়ায়, মহল্লায় বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান কর্মসূচি।
৪. সকল খুনের বিচার এবং সকল রাজবন্দীকে মুক্ত করা হবে।
৫. সকল ক্যাম্পাস ও হল খুলে দেওয়ার জন্য
২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম। আগামীকালের মধ্যে হল খোলা না হলে শিক্ষার্থীরা নিজ দায়িত্ব হল
খুলে প্রবেশ করবে।
৬. সর্বস্তরের নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে
আলোচনা করে শিগগিরই ক্ষমতা হস্তান্তরের জাতীয় রুপরেখা হাজির করা হবে।
৭. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে
জাতীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হবে।










