বাগেরহাটে কচুয়ায় গণপিটুনিতে অজ্ঞাত (৩৫) একজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নিহত ব্যক্তি ডাকাত দলের সঙ্গে ডাকাতি করে ফিরছিলো। এসময় মালামালসহ ডাকাত দরের অন্য চার সদস্য পালিয়ে গেছেন। ডাকাতির সময় ‘ডাকাতদের হামলায়’ ওই পরিবারের দুই সহোদরসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার ভোররাতে কচুয়ায় উপজেলার বারুইখালি গ্রামের সোমেদ হাওলাদার এর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
হামলায় আহতরা হলেন, বারইখালি গ্রামের মোহিত হাওলাদার (৩২), মহসিন হাওলাদার (৩৬) এবং লিয়াকত আলী (৪৫)। এদের মধ্যে মোহিত ও মহসিনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লিয়াকতকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমেদ হাওলাদারের স্ত্রী দিলুয়ারা বেগম বলেন, রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। ভোর চারটা সাড়ে ৪টার দিকে ৪-৫ জন লোক দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। একজন আমার খাটে উঠে এসে কানের দুল খুলে নেয়। ঘরের আলমারির ড্রয়ার ভেঙ্গে ৫০ হাজার টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন ও লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। ডাকাতরা বেরিয়ে গেলে আমাদের ডাক চিৎকারে গ্রামবাসী ছুটে আসলে ডাকাতরা আমার ছেলেদের উপর হামলা করে। এসময় গ্রামবাসী একজনকে ধরে ফেলে গণপিটুনি দেয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হাওলাদার বলেন, ডাক চিৎকার শুনে এলাকাবাসী আমাকে জানায়। আমি পুলিশকে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে আসি। আহত অবস্থায় অজ্ঞাত ওই ডাকাতকে হাসপাতালে পাঠাই।
বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, কচুয়ায় একটি বাড়িতে দুস্কৃতিকারীরা প্রবেশ করে ঘরে থাকা নগদ টাকা, মুঠোফোন ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। ওই পরিবারের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী বেরিয়ে এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। এসময় একজনকে ধরে গণপিটুনি দেয় গ্রামবাসী। হাসপাতালে নেওয়ার পরে ওই যুবক মারা যায়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।









